কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের লাশ ভারতের কলকাতা থেকে দেশে আনা হয়েছে। রোববার বেলা ১১টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে তাঁর লাশ বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।
কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যান রোটন। শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৭টার দিকে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত্যুর পর তাঁর লাশ বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র ইস্যু করে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সড়কপথে লাশ পেট্রাপোল সীমান্তে আনা হয়। পরে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে লাশবাহী গাড়ি।
বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর রোটনের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। এর আগে কলকাতায় তাঁর ভাগ্নে সোহানুর রহমানের কাছে লাশ হস্তান্তর করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয় বলে উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে পুলিশ পাহারায় রোটনের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
লাশ হস্তান্তরের সময় পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই বেনাপোল চেকপোস্ট ও আশপাশের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সাধারণ মানুষের চলাচলেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছিল।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।



