দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দাম সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি বা ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা।
সোমবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়।
বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা।
এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা।
দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দামের ওঠানামাকে বিবেচনায় নেয় বাজুস। এবার তেজাবী স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতেই গহনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।
নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ায় সোমবার সকাল ১০টা থেকে দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংশোধিত দর অনুযায়ী স্বর্ণের গহনা বিক্রি হচ্ছে।
নতুন হিসাবে সবচেয়ে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাকে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা দিতে হবে। ফলে সাম্প্রতিক উচ্চমূল্যের বাজারে ভরিতে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা কমার খবর স্বর্ণের ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির।
তবে ক্যারেটভেদে স্বর্ণের দাম আলাদা থাকছে। সবচেয়ে বেশি দাম ২২ ক্যারেটের, এরপর পর্যায়ক্রমে ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দামে আবার পরিবর্তন হলে পরবর্তী সময়ে গহনার দামও নতুন করে সমন্বয় করতে পারে বাজুস। আপাতত সোমবার থেকে সংগঠনটির ঘোষিত নতুন মূল্যেই দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনা বিক্রি হচ্ছে।

