মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে প্রকাশিত আইসিসির হালনাগাদ করা ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের রদবদল ঘটেছে। পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত দুটি ত্রিদেশীয় সিরিজের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ছক থেকে আটের ঘরে বড় পরিবর্তন এসেছে। হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দল ছয় থেকে সরাসরি আটে নেমে গেছে। তাদের এই পতনের সুযোগে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি ঘটেছে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার।
আফগানিস্তানের এই ঈর্ষণীয় উত্থানের মূল কারণ তাদের ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জয়। শারজায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে র্যাঙ্কিংয়ে ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে দেয় আফগানরা। অন্যদিকে, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে স্বাগতিকদের কাছে হারের পর রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাহাড়সমান ৪২৯ রান করেও পরাজিত হয় ইংলিশরা। লঙ্কানদের বিপক্ষে ওই জয়ের সুবাদেই ইংল্যান্ডকে টপকে ছয়ে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কা।
র্যাঙ্কিংয়ে এই তিন দলের অবস্থান বদলালেও তাদের মধ্যে রেটিং পয়েন্টের ব্যবধান অত্যন্ত সামান্য। বর্তমানে ছয়ে থাকা শ্রীলঙ্কার রেটিং পয়েন্ট ৯৫, সাতে অবস্থান করা আফগানিস্তানের পয়েন্ট ৯৪ এবং আটে নেমে যাওয়া ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৯৩। অর্থাৎ মাত্র ২ রেটিং পয়েন্টের ব্যবধানে লড়ছে এই তিন দল। এছাড়া শারজা সিরিজের ফাইনালে খেলা জিম্বাবুয়ের রেটিং পয়েন্ট ২ বেড়ে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে ১১তম স্থানে উন্নীত হয়েছে।
তবে এই হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের জন্য কোনো সুখবর নেই। টুর্নামেন্টে খেলা দুই ম্যাচের দুটিতেই পরাজয়ের ফলে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ২ কমে বর্তমানে ৮১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে পয়েন্ট কমলেও র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি, আগের মতোই নবম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এদিকে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচে কোনো পরিবর্তন আসেনি; ১১৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি সবার শীর্ষে রয়েছে ভারত, ১০৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিউজিল্যান্ড এবং এরপরেই রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা (১০৪), পাকিস্তান (১০৩) ও অস্ট্রেলিয়া (১০২)।
এই ক্রীড়া সংবাদের জন্য কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মেটাডেটা (ক্যাপশন ও হ্যাশট্যাগ) বা অন্য কোনো ওয়েব ফরম্যাট তৈরি করে দেব?

