কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী জান্নাতুন তাজমীন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। নিহত কিশোরীকে হত্যার আগে শারীরিক নির্যাতন কিংবা ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হতে তার সোয়াব ও পরনের পোশাক সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি মূল রহস্য উদঘাটনে ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল ফারুক জানান, এসব গুরুত্বপূর্ণ আলামত সিআইডির ল্যাবে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে ইতোমধ্যে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রমে কোনো ফাঁক রাখা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসামিকে আদালতে হাজির করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব আইনি ও বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামের এক তরুণের সঙ্গে পরিচয় হয় নিহত কিশোরীর। নিখোঁজ হওয়ার আগে সে কক্সবাজারে গিয়ে ওই তরুণের সঙ্গে অবস্থান করেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে এবং গ্রেফতারকৃত রিয়াজের স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সার্বিক তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।


