আপডেট
- অপেক্ষার অবসান, ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রাথমিক শিক্ষক পাচ্ছেন নিয়োগপত্র
- শ্রীলঙ্কার সমুদ্রসৈকতে পারশা, ছবি দিয়ে বললেন ‘সঠিক দিকেই পথ হারিয়েছি’
- এসডিজি অর্জনে পিছিয়ে বাংলাদেশ, রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের দুর্বলতায় সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
- ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগে ভয়াবহ অনিয়মের তথ্য, পরীক্ষা ছাড়াই চাকরি পান ৮৫৪২ জন
- একা থাকাও হতে পারে নিজের সঙ্গে নতুন করে পরিচয়ের সুযোগ
- পাসপোর্ট হারালে অনলাইনে রিপোর্ট বাধ্যতামূলক, বারবার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
- কুমিল্লায় নিহত ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা বিভিন্ন প্রচার ও মন্তব্যের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগম। ছেলেকে ঘটনার জন্য কোনোভাবে দায়ী বা দোষী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা তিনি মেনে নেবেন না বলে জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা নাহিদা বেগমের বাসায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ছেলেকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে নিজের ক্ষোভ ও কষ্টের কথা জানান তিনি। নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার দুধের শিশু, তাকে ব্লেমিং করা আমি কোনো দিন মেনে নেব না। আমার দুধের বাচ্চা, আমার ছেলে বোঝে না।’ অপ্রতিমকে দীর্ঘদিন ধরে কথাবার্তা ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে প্রভাবিত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তার মা। তিনি বলেন, ‘তাকে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে, দীর্ঘদিন সময় নিয়ে তাকে বন্ধু বানিয়ে, সবার কাছে ভিকটিম বানিয়ে দিয়ে বলছে, “দেখো, ও আমাদেরই একজন সদস্য, ও আমাদের সঙ্গে খেলছে, ওর কারণে ও মরে গেছে”—আমি কিন্তু সেটা মানব না।’ নাহিদা বেগমের বক্তব্যে মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর ছেলেকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বর্ণনা ও মন্তব্যের বিরোধিতা উঠে এসেছে। তিনি মনে করেন, ১৩ বছর বয়সী একটি শিশুকে ঘটনার দায় বহনকারী হিসেবে উপস্থাপন করা গ্রহণযোগ্য নয়। অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো দাবি বা বক্তব্যকে ঘটনার প্রমাণিত বিবরণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। তার বয়স ছিল ১৩ বছর এবং সে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত। বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরে কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্তে পুলিশ কয়েকজনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা একটি আইফোন এবং আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন বিষয় তদন্তে উঠে এসেছে। তবে এগুলো তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক ভাষ্য; মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত বলে গণ্য করা যাবে না। এদিকে সন্তান হারানোর পর অপ্রতিমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রচার নতুন করে পরিবারের কষ্ট বাড়াচ্ছে বলে নাহিদা বেগমের বক্তব্যে উঠে এসেছে। তাঁর স্পষ্ট অবস্থান—ঘটনার শিকার ১৩ বছরের সন্তানকে কোনোভাবেই দোষারোপ করা তিনি মেনে নেবেন না। অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য এবং কার কী ভূমিকা ছিল—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর নির্ভর করবে পুলিশের তদন্ত, প্রমাণ এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর।
- গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নয়, পুলিশের পদক্ষেপ দেখবেন স্পিকার
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩, ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮
