আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৭ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড কিংবা ৪ ওভারের কোটায় ৭-৮টি উইকেট নেওয়ার নজির থাকলেও এগুলোর কোনোটির সাথেই যুক্ত নেই টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর নাম। সহযোগী দেশগুলোর এসব রেকর্ড ও টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর ক্রিকেটীয় মানের পার্থক্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা আলোচনাটি নতুন করে সামনে এনেছেন ভারতের ক্রিকেট কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘মিড-ডে’-তে লেখা এক কলামে গাভাস্কার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে রেকর্ডের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণের দাবি জানান। ফুটবলের মতো ক্রিকেটেও প্রমোশন ও রেলিগেশনভিত্তিক ‘ডিভিশন’ প্রথা চালুর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি, যাতে যেকোনো রেকর্ড কোন স্তরে অর্জিত হয়েছে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। এমনকি ভারতের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট রঞ্জি ট্রফিতেও অনুরূপ ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন তিনি।
সম্প্রতি ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সাব-রিজিওনাল এশিয়া কোয়ালিফায়ার ‘এ’-র ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মঙ্গোলিয়ার মাত্র ১৩ রানে অলআউট হওয়ার উদাহরণ টেনে গাভাস্কার এ যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন ৭ রানে অলআউট হওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি আইভরিকোস্টের দখলে, যা তারা করেছিল নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। এছাড়া মঙ্গোলিয়া সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১০ রানে অলআউট হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। এ জাতীয় রেকর্ডগুলোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সঠিক মানদণ্ড নির্ধারণ করতেই ফুটবলের মতো ডিভিশন প্রথার প্রস্তাব পেশ করেন এই সাবেক তারকা।

