ডেস্ক রিপোর্ট | নাহিদ হাসান
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে দুই সংগঠনের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ রোববার (২৫ অক্টোবর) চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। সকাল থেকে সাজেক সড়কে কোনো যানবাহন চলেনি, পর্যটক না থাকায় ফাঁকা পড়ে আছে জনপ্রিয় রুইলুই পর্যটনকেন্দ্র।
সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এই অবরোধ ডেকেছে। সংগঠন দুটির এটি তৃতীয় দফার কর্মসূচি। সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা জানান, ১০ নম্বর, ১৪ কিলো ও হাজাছড়া এলাকায় পিকেটিং চলছে। পর্যটনকেন্দ্রের বাইরের এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি থমথমে। সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সহসাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, এখন সাজেকে কোনো পর্যটক নেই। হোটেল-রিসোর্টের কর্মীরা অলস সময় কাটাচ্ছেন, রেস্তোরাঁগুলোও ক্রেতাশূন্য।
অচলাবস্থা নিরসনে রোববার সকালে জেলার হেডম্যান ও কার্বারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান। সভায় সাজেকের সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আছেন লংগদু কার্বারি হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা কল্যাণমিত্র চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা।
সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, অবরোধে এখন পর্যন্ত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়েছে।

