ডেস্ক রিপোর্ট | নাহিদ হাসান
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে শীর্ষ ডেনিম সরবরাহকারী দেশের জায়গা ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি-আগস্ট) প্রতিযোগিতামূলক দাম ও পণ্যের বৈচিত্র্যের জোরে এই অবস্থান টিকেছে, যদিও এ সময় রপ্তানি কিছুটা কমেছে।
ইউরোপের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, এই আট মাসে বাংলাদেশ ইইউতে প্রায় ৮৬ কোটি ৯১ লাখ ইউরোর ডেনিম পণ্য রপ্তানি করেছে, যা জোটটির মোট ডেনিম আমদানির ২৯.৪০ শতাংশ। অর্থাৎ ইইউতে বিক্রি হওয়া প্রতি তিনটি ডেনিম প্যান্টের একটি তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তান, দেশটির রপ্তানি প্রায় ৫২ কোটি ৫৫ লাখ ইউরো। তৃতীয় তুরস্ক, প্রায় ৪৩ কোটি ৮৩ লাখ ইউরো। চীনসহ অন্যান্য বড় ডেনিম উৎপাদনকারী দেশকেও পেছনে রেখেছে বাংলাদেশ।
তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি কমেছে ৫.৮৫ শতাংশ, যা পুরো বাজারের পতনের চেয়ে সামান্য বেশি। ফলে বাজার হিস্যাও আগের বছরের ২৯.৮৫ শতাংশ থেকে কিছুটা কমেছে। আশার কথা, আগস্টে চিত্র বদলেছে। ওই মাসে বাংলাদেশ থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি আগের বছরের তুলনায় ১২.৭১ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৪১ লাখ ইউরোতে দাঁড়িয়েছে।
সামগ্রিকভাবে জানুয়ারি-আগস্টে ইইউর মোট ডেনিম আমদানি ৪.৪০ শতাংশ কমে প্রায় ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ ইউরোতে নেমেছে। তবে আগস্টে মোট আমদানি ১১.২৩ শতাংশ বেড়েছে, যা চাহিদা ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রধান সরবরাহকারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে তুরস্কের রপ্তানি, ২১.০৮ শতাংশ। ইইউর মোট আমদানি কমার বড় অংশই এসেছে দেশটির পতন থেকে। পাকিস্তানের রপ্তানি কমেছে ৭.৮৮ শতাংশ, মরক্কোর ১৪.৪৮ শতাংশ। কম্বোডিয়া ও তিউনিসিয়ার রপ্তানিও ৬ শতাংশের বেশি কমেছে। অন্যদিকে মিসরের রপ্তানি বেড়েছে ৩১.৪৬ শতাংশ।
