ডেস্ক রিপোর্ট | নাহিদ হাসান
টানা ৯ মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে নতুন সরকারি নির্দেশনায় দ্বীপে রাতযাপন নিয়ে কিছু স্পষ্ট না থাকায় পর্যটক, হোটেলমালিক ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
১২ অক্টোবরের আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত জাহাজে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। আগের প্রজ্ঞাপনের শর্তগুলোও বহাল রাখা হয়েছে, কিন্তু রাতযাপনের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। হোটেল ও জাহাজমালিকেরা আশা করছেন, পুরো মৌসুমেই পর্যটকেরা দ্বীপে রাত কাটাতে পারবেন। অন্যদিকে পরিবেশবাদী ও সরকারি কর্মকর্তাদের ধারণা, আগের নিয়মই থাকতে পারে; সে ক্ষেত্রে নভেম্বরে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরতে হবে, আর ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত রাতযাপনের সুযোগ মিলবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, রাতযাপনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা আসেনি; সিদ্ধান্ত নিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) পর্যটন করপোরেশন, ট্যুরিজম বোর্ড, প্রশাসন, জাহাজ ও হোটেলমালিক এবং ট্যুর অপারেটরদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ পর্যটক নিতে পারবে না। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ জানিয়েছে, দ্বীপের ২৩০টির বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ প্রস্তুত। তবে পরিবেশবাদীরা দৈনিক সাড়ে তিন হাজার পর্যটকে দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা করছেন এবং নভেম্বরে রাতযাপন বন্ধ রাখা ও ছেঁড়াদিয়ায় যাতায়াত বন্ধের পক্ষে মত দিয়েছেন।

