ডেস্ক রিপোর্ট | নাহিদ হাসান
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেড়ে ৭৪৮ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। জ্বালানি তেল আমদানির খরচ দ্বিগুণের বেশি হওয়াই এর প্রধান কারণ বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ওই তিন মাসে দেশে ১ হাজার ৯৩৩ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, যা আগের বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি। একই সময়ে রপ্তানি আয় ৭ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ১৮৬ কোটি ডলার। অর্থাৎ আমদানি যে হারে বেড়েছে, রপ্তানি সেই গতিতে বাড়েনি।
ঘাটতি বাড়ার মূল চালিকাশক্তি জ্বালানি। পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের আমদানি ১০৫ শতাংশ বেড়ে ২০০ কোটি ডলার থেকে ৪২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। তেল ও গ্যাসের জন্য আমদানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা বেশি হওয়ায় এই চাপ সরাসরি পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডারে। খাদ্যপণ্যেও আমদানি বেড়েছে: ভোজ্যতেলের আমদানি ৫৪ শতাংশ ও গমের আমদানি ৬৬ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও মূলধনি পণ্যের আমদানি কমেছে, যা অর্থনীতিতে ধীরগতি, ক্রমাগত মূল্যস্ফীতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতিতে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।
