ইউরোপিয়ান ফুটবলে এখন বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের অধীনে দুর্দান্ত পারফর্ম করে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের অভিষেক আসরেই আলো ছড়াচ্ছে দলটি। গত রাতে ফরাসি ক্লাব লেঁসের মাঠে ৯–১ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে কোমো। এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপিয়ান ফুটবলে বেশ কিছু নতুন রেকর্ড ও মাইলফলক গড়েছে সিরি আ পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ স্থানে থাকা এই ক্লাবটি।
ম্যাচটিতে রেকর্ড গড়া উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জন ও পরিসংখ্যান নিচে তুলে ধরা হলো:
-
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়: প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। এর আগে ২০০৭ সালে বেসিকতাসকে ৮–০ গোলে হারিয়েছিল লিভারপুল এবং ২০১৫ সালে মালমোকে একই ব্যবধানে হারিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ।
-
প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোলের অনন্য রেকর্ড: চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোল করার রেকর্ড গড়ল কোমো। এর আগে ১৯৭১ সালে ইউরোপিয়ান কাপের পুরোনো সংস্করণে অলিম্পিয়াকোসের মাঠে ৯–০ গোলে জিতেছিল ফেইনুর্ড।
-
ইতালিয়ান ক্লাবগুলোর মধ্যে প্রথম: ইতালির প্রথম ক্লাব হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে এক ম্যাচে ৯ গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করল কোমো।
-
বায়ার্নের পাশে কোমো: চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিখের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে এক ম্যাচে ৯ গোল করল কোমো। এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দিনামো জাগরেবকে ৯–২ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন।
-
দুভিকাসের হ্যাটট্রিক ও গ্রিক রেকর্ড: কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন গ্রিসের স্ট্রাইকার তাসোস দুভিকাস। এর মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে তৃতীয় গ্রিক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেলেন তিনি।
-
প্রথম চার ম্যাচে ১৯ গোল: ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথম চার ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৯ গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসাল কোমো। ১৯৭৬ সালে এই কীর্তি গড়েছিল কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স।
-
কিলিয়ান এমবাপ্পের শততম গোলে অবদান: অন্যদিকে, এথেন্সের বিপক্ষে ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের ১০২তম ম্যাচে এসে ১০০তম গোলে (৭৪ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট) অবদান রাখলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফুটবল ইতিহাসে কেবল লিওনেল মেসি তাঁর চেয়ে কম ম্যাচ (১০১ ম্যাচ) খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন।

