বিশ্ববাজারে সোনার দামে দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৩ দশমিক ৯৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য নির্ধারিত সোনার ফিউচার চুক্তিও ০.৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪২ দশমিক ৭০ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে দেখা দেওয়া ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তেলের দাম বাড়লে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় চড়া রাখতে পারে—এমন আশঙ্কায় সোনার বাজারে বিক্রির চাপ বেড়েছে।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির সময়ে সোনাকে একটি নিরাপদ বিনিয়োগ বা ‘সেফ হেভেন’ হিসেবে গণ্য করা হলেও, সুদের হার উচ্চ থাকলে সুদবিহীন সম্পদ হওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যায়।
এদিকে আগামী ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী নীতিনির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সিএমই (CME) ফেডওয়াচ টুলের তথ্যানুযায়ী, বাজারের প্রায় ৯১ শতাংশ বিনিয়োগকারীই আশঙ্কা করছেন যে আসন্ন ডিসেম্বরের বৈঠকেও সুদের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বহাল থাকতে পারে।

