ডেস্ক রিপোর্ট | নাহিদ হাসান
মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অর্ণব’। সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক জানান, নাসা ও জাপানের কৃত্রিম উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সোমবার সকাল ৯টায় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র ছিল প্রায় ১৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এ সময় কেন্দ্রের চারপাশে বাতাসের গড় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৬৫ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়াসহ ৮৩ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছিল। ‘অর্ণব’ নামটি আগে থেকেই নির্ধারিত তালিকা থেকে নেওয়া, যা প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সর্বোচ্চ শক্তি অর্জনের পর ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে, দমকা হাওয়াসহ যা ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। এই গবেষকের ধারণা, বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা রাজ্যের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও সতর্কসংকেত সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্যের জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

