র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাব বিলুপ্ত হয়ে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’—সংক্ষেপে এসআরবি নামে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নামেই বাহিনীটির সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বাহিনী প্রধান আহসান হাবীব পলাশ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসআরবি নামে গেজেট হওয়ার পর র্যাবের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামেই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বুধবার বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রেও নতুন পরিচয়ের ব্যবহার দেখা গেছে। সেখানে আগের ‘র্যাব’-এর জায়গায় লেখা হয়েছে ‘এসআরবি বাংলাদেশ’। তবে বাহিনীটির লোগোর মূল নকশা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিটের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও নতুন লোগোর ব্যবহার শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতায় ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ নামে নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিল পাস হয়। আইন অনুযায়ী এসআরবি জননিরাপত্তা, সংঘবদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে।
নতুন আইনে র্যাবের জনবল, সম্পদ, নথিপত্র, স্থাপনা, তহবিল ও দায়দায়িত্ব এসআরবিতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। এসআরবি থাকবে বাংলাদেশ পুলিশের আওতায় এবং এর কার্যক্রম পুলিশ মহাপরিদর্শকের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে।
তবে র্যাবের বিদ্যমান জনবল ও সম্পদ নতুন ইউনিটে স্থানান্তরের বিধান নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, এতে পুরোনো বাহিনীই নতুন নামে থেকে যাচ্ছে—এমন ধারণা তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, র্যাব বিলুপ্ত করেই নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন করা হচ্ছে।
ফলে দুই দশকের বেশি সময় ধরে ‘র্যাব’ নামে পরিচিত বিশেষায়িত বাহিনীটির সেই নাম আর থাকছে না। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ বা এসআরবির কার্যক্রম।

