ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শেষদিকে অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—এমন দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। তাঁর ফেরাকে কেন্দ্র করে বিমান ও স্থলপথসহ একাধিক সম্ভাব্য রুট বিবেচনায় রেখে ‘প্ল্যান এ, বি ও সি’ ধরনের বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।
সূত্রগুলো বলছে, পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে দেশে ফেরার পথ চূড়ান্ত হতে পারে। স্থলপথের বিকল্প হিসেবে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ফেরার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বেনাপোল থেকে টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত ‘লং মার্চ টু টুঙ্গিপাড়া’ কর্মসূচির কথাও ভাবা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমানের ভাষ্য, শেখ হাসিনার বিমান ও সড়ক—দুই পথেই ফেরার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণে এখনই চূড়ান্ত রুট প্রকাশ করা হচ্ছে না।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমও বলেছেন, শেখ হাসিনার ফেরার সঙ্গে বেশ কিছু কৌশলগত বিষয় জড়িত। পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার পরই বিস্তারিত জানানো হবে।
এদিকে দলীয় কয়েকজন নেতার দাবি, অক্টোবরের মাঝামাঝি নয়াদিল্লিতে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সামনে উপস্থিত হয়ে শেখ হাসিনা নিজেই দেশে ফেরার সম্ভাব্য পরিকল্পনা বা রুট ঘোষণা করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
দলটির নেতারা আরও দাবি করছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলে বিদেশে অবস্থানরত অনেক নেতা-কর্মীও তাঁর সঙ্গে ফিরতে পারেন। তবে শেখ হাসিনার ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ, রুট কিংবা কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত নয়। পুরো বিষয়টিই বর্তমানে দলীয় নেতাদের দাবি ও সম্ভাব্য পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।


