জয়ের একেবারে দুয়ারে গিয়েও তীরে তরী ডুবাল শ্রীলংকা। পাকিস্তানের বোলারদের নিখুঁত বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শী বোলিংয়ের কাছে পরাস্ত হয়ে নিশ্চিত জয়ের ম্যাচ হাতছাড়া করেছে লংকানরা। রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ে ৩৭ রানের দাপুটে জয় নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক পাকিস্তান।
রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩০৬ রানের বড় লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে একপর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতেই নিয়েছিল শ্রীলংকা। প্রভিন রত্নায়েকে ও জানিথ লিয়ানাগের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন বুনছিল তারা। ৪৩.৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২৫৩ রান তুলে ফেলা লংকানদের শেষ ৩৯ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫৩ রান। উইকেটে তখন ৬০ রানে অপরাজিত জানিথ লিয়ানাগে এবং অন্যপ্রান্তে ১৮ বলে ২৮ রান করা বিধ্বংসী ব্যাটার দাসুন শানাকা।
তবে ৪৪তম ওভারে বোলিংয়ে এসে ম্যাচের দৃশ্যপট একাই বদলে দেন পাকিস্তানি স্পিডস্টার হারিস রউফ। ওভারের চতুর্থ বলে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা লিয়ানাগেকে (৭৪ বলে ৬০ রান) সাজঘরে ফেরান তিনি। পরের ওভারেই নতুন আঘাত হানেন শাহিন শাহ আফ্রিদি; তাঁর গতিতে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ তুলে দেন সাবেক অধিনায়ক দাসুন শানাকা।
পরপর দুই ওভারে সেট দুই ব্যাটার বিদায় নিলে শ্রীলংকার লেজের সারির ব্যাটাররা আর প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। লেজের সারির ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ৪৮.১ ওভারে ২৬৮ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলংকা। লংকানদের এমন হতাশাজনক ব্যাটিং ধস দেখে ডাগআউটে নিজের ক্ষোভ ও হতাশা লুকাতে পারেননি দলটির নবনিযুক্ত কোচ গ্যারি কার্স্টেন।
এর আগে, টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সালমান আলি আগার দায়িত্বশীল সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫০ ওভারে ৩০৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় পাকিস্তান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সালমান আলি আগা।


